Saturday, July 1, 2017

আপনি কী ভুলে যান? তাহলে বিপদ কিন্তু আসন্ন...



জীবন পুরো ভুলভুলাইয়া! ছোটখাটো সব জিনিস ভুলে যাচ্ছেন নাকি? ভুলেও হেলাফেলা করবেন না। ভুলে যাওয়া কিন্তু কোনও ভুল নয়। ভবিষ্যতে বিপদের অশনিসঙ্কেত।

আপনার অবস্থা গজনির আমির খানের মতো হলে, সে তো মারাত্মক কেস। অবস্থা হাতের বাইরে। কিন্তু এতটা না হলেও, রোজ রোজ কি ছোটখাটো জিনিস ভুলে যাওয়া রুটিন হয়ে দাঁড়িয়েছে? হয়ত চাবি কোথায় রেখেছেন তা ভুলে বাড়ি মাথায় করছেন। কিংবা পরিচিত কারোর নামধাম ভুলে বসে আছেন। বা মোবাইল কোথায় রেখেছেন সেটাই মনে করতে পারছেন না। বেমালুম ভুলে যাচ্ছেন দৈনন্দিন জীবনের নানা খুঁটিনাটি। তাহলে জেনে রাখুন, বিপদ হাজির দোরগোড়ায়।

এই ভুলে যাওয়ার পিছনে কার্যকারণ হতে পারে একাধিক-

১) অবসাদ
২) ওষুধের সাইড এফেক্ট
৩) অত্যধিক মাত্রায় মদ্যপান
৪) দেহে ভিটামিন B12 এর হার কম থাকা
৫) থাইরয়েড লেভেল কম
৬) ক্রমাগত মানসিক চাপ
৭) হাই কোলেস্টেরল
৮) নিঃসঙ্গতা
৯) ঘুমের সমস্যা
১০) সঠিক পুষ্টির অভাব

জীবনে নানাভাবে প্রভাব ফেলতে পারে এই ভুলে যাওয়ার প্রবণতা। অনেকসময় সাম্প্রতিক ঘটনা ভুলে যাওয়া এবং হাজার চেষ্টাতেও তা না মনে পড়া। কথা বলার সময় হঠাত্‍ করে যথাযথ শব্দ না মনে করতে পারা। জানা পথঘাট ভুলে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটে। কোনও জিনিস যে জায়গায় রাখার কথা, তা অন্য জায়গায় রেখে খুঁজে বেড়ানো। কাজের পরিকল্পনা ঠিকমতো না করতে পারার সমস্যাও দেখা দেয়।

ভুলবশত ভুলে যাওয়াটা এক-দু বার হলে চিন্তার কারণ নেই। কিন্তু যদি বারবার হয়! তাহলে কিন্তু অবশ্যই এটা নিয়ে ভাবা জরুরি। ভুলে যাওয়ার প্রবণতা চলতে থাকলে, ভবিষ্যতে অ্যালঝাইমার্স রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সাধারণত ৮০ বছরের উর্ধ্বে এই রোগের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। মস্তিষ্কের কোষ বা নিউরোনগুলি শুকিয়ে গিয়ে স্মৃতিভ্রংশ হওয়াকে ডিমেনসিয়া বলা হয়। অনেক সময় নিজের অজান্তেই মস্তিষ্কে ছোট ছোট স্ট্রোকের ফলে কোষ শুকিয়ে যেতে থাকে। ভবিষ্যতে এমন বড় বিপদ থেকে বাঁচতে, বর্তমানে সতর্ক হওয়া দরকার।

মস্তিষ্কের নিউরোসেল সক্রিয় রাখার চেষ্টা করতে হবে। শরীর সচল রাখতে হবে, যা মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন ঘটাবে। রক্তচাপ, ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। চর্বিজাতীয় খাবার কম খেতে হবে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা দরকার। ধূমপান সবার আগে ছেড়ে দেওয়া উচিত। প্রতিদিনের জীবনে ছোট ছোট ভুলে যাওয়াকে মনে রেখে তাই এখনই সতর্ক হোন। নয়ত ঘোর বিপদ আপনার সামনে।

কেন হয় অ্যালার্জি?



শরীরের এ এক মহা অস্বস্তি। একটানা হাঁচিতে জেরবার শরীর। কখনও আবার নাকে  সুড়সুড়ি। রাত বাড়লেই শ্বাসকষ্ট। এসবই অ্যালার্জির চেনা লক্ষ্মণ।

ঘর পরিষ্কার করছেন। হঠাত্‍ করেই শুরু হয়ে গেল হাঁচি, পরে শ্বাসকষ্ট। অথবা প্রাণভরে ফুলের গন্ধ নিলেন, শরীরে জেগে উঠল লাল চাকা চাকা দাগ।  চিংড়ি, ইলিশ, বেগুন, গরুর দুধ, বা ডিম খেলেই চুলকোচ্ছে গা। এসবই অ্যালার্জির অতি পরিচিত চেনা লক্ষ্মণ।

কেন হয় অ্যালার্জি?

আমাদের শরীর সবসময়ই ক্ষতিকর বস্তুকে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করে। অনেক সময় ক্ষতিকর নয় এমন ধরণের বস্তুকেও ক্ষতিকর ভেবে শরীর প্রতিরোধের চেষ্টা করে। শরীরের অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াকে অ্যালার্জি বলে।

অ্যালার্জির নানা লক্ষ্মণ, যেমন অ্যালার্জিজনিত সর্দি- এর উপসর্গ হচ্ছে অনবরত হাঁচি, নাক চুলকানো, নাক দিয়ে জল পড়া, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, অনেকের চোখ দিয়েও জল পড়তে থাকে।
অ্যাজমা বা হাঁপানি- উপসর্গ হচ্ছে কাশি, ঘন ঘন শ্বাসের সঙ্গে সাঁইসাঁই আওয়াজ, শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট, ভালো করে দম নিতে না পারা, বুকে অস্বস্তি।

আর্টিকেরিয়া- ত্বকে লালচে ফোলা ফোলা দাগ, গা, হাত, পায়ে চুলকানি, ত্বকের গভীরে হলে হাত পা ফুলে যেতে পারে।

ত্বকে জ্বালা-যন্ত্রণা- চামড়া শুকনো ও খসখসে হয়ে যায়, ত্বকে ছোট ছোট দানা তৈরি হয়, চামড়া ফেটে যাওয়া, ত্বকের চামড়া উঠে যাওয়া।

একজিমা- বংশগত চর্মরোগ। ত্বক শুষ্ক হয়, চুলকায়, লাল লাল দাগ তৈরি হয় ত্বকে, চামড়া ফেটে যায়।

অ্যালার্জি মোকাবিলায় তাই বেশকিছু প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা দরকার, যেমন- রক্ত পরীক্ষা: রক্তে ইয়োসিনেফিলের মাত্রা বেশি আছে কিনা তা দেখা।

স্কিন প্রিক টেস্ট: রোগীর চামড়ার ওপর বিভিন্ন এলার্জেন দিয়ে পরীক্ষা করা হয়।

প্যাচ টেস্ট: এই পরীক্ষাও রোগীর ত্বকের ওপর করা হয়।

বুকের এক্স রে: হাঁপানি রোগের চিকিত্‍সার আগে আগে বুকের এক্স রে করা উচিত।

অ্যালার্জি মোকাবিলার সব থেকে বড় উপায় হল সম্ভাব্য যা যা থেকে অ্যালার্জি হতে পারে সেগুলি এড়িয়ে চলা। তাহলেই সহজে অ্যালার্জির কবল থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। অ্যালার্জি ভেদে ওষুধও প্রয়োগও করা যেতে পারে। ওষুধের পাশাপাশি ভ্যাকসিনও অ্যালার্জিজনিত রোগীদের সুস্থ থাকার অন্যতম উপায়। 

কোন কোন লক্ষণ দেখে বুঝবেন আপনার সঙ্গী প্রতারণা করছে?


ভালোলাগা , ভালোবাসা , প্রেম , সম্পর্ক , বিচ্ছেদ , হাসি , কান্না । এসব কিছুই আমাদের জীবনের অঙ্গ । কোনও কোনও মানুষ এসব কিছু সঠিক ভাবে পালন করেন। আবার এমন কিছু মানুষ আছে, যারা এর অপব্যবহার করে। তেমনই এক ধরণের মানুষ আছেন, যাঁরা অন্যের আবেগ নিয়ে খেলতে ভালোবাসে। বেশিরভাগ মানুষই বুঝতে পারেন না যে, তাঁর পিছনে তাঁর সঙ্গী তাঁকে প্রতারণা করছেন। তাঁর আবেগ নিয়ে খেলছেন। জেনে নিন এমন কিছু লক্ষণ , যা দেখলে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার সঙ্গী আপনার সঙ্গে প্রতারণা করছেন।

১) প্রাক্তনের সঙ্গে যোগাযোগ- আপনার মনে হতে পারে, তাঁরা দুজন শুধুমাত্র বন্ধু । হয়তো আপনার মনে হতে পারে, দুজন প্রাপ্তবয়ষ্ক মানুষ যোগাযোগ রাখতেই পারেন। তবে প্রাক্তনকে নিয়ে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি মোটেই সুবিধের লক্ষণ নয়। তেমন যদি হয়, তাহলে সচেতন হোন। আবার অনেকক্ষেত্রে দুজন ভালো বন্ধু হতেই পারেন। চিন্তার কোনও কারণ নাও থাকতে পারে। তাই পরিস্থিতি বুঝে বিচার করুন।

২) অন্য মহিলা বা পুরুষের সঙ্গে সারাক্ষণ ফ্লার্টিং করা- অল্পবিস্তর ফ্লার্টিং করা ক্ষতিকর নয়। তবে আপনার সঙ্গী যদি সারাক্ষণ অন্য মহিলা কিংবা পুরুষের সঙ্গে ফ্লার্টিং করেন, তাহলে তা সত্যিই চিন্তার। এর থেকে এও বোঝা যেতে পারে যে, তিনি অন্য নারী কিংবা পুরুষে আসক্ত।

৩) সোশ্যাল মিডিয়ায় শুধুমাত্র মহিলা কিংবা পুরুষকে ফলো করা- ফ্লার্টিং করার মতোই আপনার সঙ্গী যদি সোশ্যাল মিডিয়ায় শুধুমাত্র মহিলা কিংবা পুরুষকে ফলো করতে থাকেন, তাহলে সচেতন হোন।

৪) আপনার সঙ্গী কি তাঁর বন্ধু মহলে আপনাদের সম্পর্কের কথা পরিস্কারভাবে জানিয়েছেন? যদি তেমনটা হয়ে থাকে, তাহলে চিন্তার কোনও কারণই নেই। আর যদি তেমনটা না হয়, তাহলে তেমন সম্পর্কে না থাকাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। আপনাদের সম্পর্কের কথা যদি আপনার সঙ্গী তাঁর বন্ধুদের কাছে নাই বলতে পারেন, তাহলে সম্ভাবত তাঁর অন্য কোনও ভাবনা রয়েছে। তেমন সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসাটাই ভালো।

মনে রাগ বেন,  মানুষের মন ভিন্ন  রকম,  এটি প্রত্যেকের ক্ষেত্রে কায্যকারী হবে না। 
সবশেষে মাথায় রাখবেন, যেকোনও পদক্ষেপ ভালো করে ঠান্ডা মাথায় ভেবে চিন্তে তবেই নেবেন।

রাতে যত দেরি করে খাবেন তত বিপদ!


দেরি করে ঘুমোন? ডিনারও লেট নাইটে? ভুল করছেন। যত দেরি করে খাবেন, তত বিপদ। দেরি করে ডিনারে বারোটা বাজবে হার্টের। বাড়বে স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা। ওবেসিটি, ডায়াবেটিসের আশঙ্কা।

ঘড়ির কাঁটা ১০টা ছোঁয়ার পর রাতের খাবার খেয়েছেন কি মরেছেন।
রাতের খাবারের আদর্শ সময় ১০টা। তার পরে ডিনার করলেই বিপদ।

স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। ক্রনিক অম্বল, গ্যাসের সমস্যা। বাড়বে রক্তচাপ। স্ট্রেস হরমোনের পরিমাণ বাড়বে। ওজন বাড়ার সম্ভাবনা।

বদলাচ্ছে লাইফস্টাইল, নয়া প্রজন্মের খাদ্যাভ্যাস বদলে যাচ্ছে। ঘুম থেকে উঠেই কেরিয়ারের পিছনে ছোটা। দিনভর ছুট, ছুট আর ছুট। খাওয়ার রুটিনটাই বদলে গিয়েছে। কিন্তু শরীর তো আর সেকথা শুনবে না। সে একটা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে। নিয়ম বদলালেই শরীরের দফারফা। তাই শরীর ঠিক রাখতে ঠিক সময়ে পরিমাণমতো খাওয়া আর রাতে পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত জরুরি। সাম্প্রতিক একটি মার্কিন গবেষণা বলছে, বেশি রাতে খেয়ে সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়লে খাবার হজম হয় না। ফলে, অম্বল, বুক জ্বালা, অস্বস্তি। বদহজমে বারবার ঘুমও ভেঙে যেতে পারে। ধীরে ধীরে ইনসমনিয়ার মতো রোগ বাসা বাঁধতে পারে শরীরে।

বেশি রাতে খাওয়ার ফলে পরেরদিন সকালে খিদে পাবে না। ফলে ব্রেকফাস্ট বাদ। একে বলে মর্নিং অ্যানোরেক্সিয়া। কিন্তু সারাদিনের খাওয়ার মধ্যে ব্রেকফাস্টই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
রাতে জাঙ্ক খাবার, মিষ্টি বা নোনতা খাবার বা উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা অনেকটা বেড়ে যায়।

ধীরে ধীরে শরীরে ফ্যাট জমা হবে। ওবেসিটির সমস্যা দেখা দিতে পারে।

বেশি রাতে খেয়েই ঘুম। ব্যস। ব্লাড প্রেশার বাড়বে। তাই রাত ১০টার মধ্যে খেয়ে নিতেই হবে। খেয়েই ঘুমিয়ে পড়া চলবে না। অন্তত ২ ঘণ্টা পর ঘুমোতে হবে।

ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, বেশি রাতে ডিনার করলে স্মৃতিশক্তির ওপর প্রভাব পড়ে। ভবিষ্যতে অ্যালঝাইমার্সের মতো রোগ হতে পারে।

কীভাবে কমানো যাবে বেশি রাতে খাওয়ার প্রবণতা?

গবেষকদের দাবি, ভরপেট খাবার না খেয়ে একটু স্যালাড, অল্প একটু গরম দুধ খাওয়া যেতে পারে। সহজপাচ্য শাক-সবজি খাওয়াই ভাল। রেড মিট, ভাজাভুজি, সোডা, ক্যান্ডি খাওয়া চলবেই না। রাতের খাবার আর শুতে যাওয়ার মধ্যে অন্তত ২ ঘণ্টার ব্যবধান রাখতেই হবে। ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনারের মধ্যে সঠিক ব্যালান্স করতে হবে। একেবারে অনেকটা না খেয়ে সারাদিনে অল্প পরিমাণে খেতে হবে।

সর্দি-কাশি থেকে রক্ষা, শরীর নির্মেদ রাখতেও গোলমরিচের জুড়ি মেলা ভার


কয়েকটা গোল গোল কালো দানা। তারমধ্যেই হাজারো গুণ। শরীরে মেদ ঝরাতে কত দৌড়ঝাঁপই না করেন সকলে। জানেন কী গোলমরিচের মধ্যেই রয়েছে সেই আশ্চর্য ক্ষমতা। ক্রনিক  সর্দি-কাশি থেকেও রক্ষা করে গোলমরিচ। এছাড়াও গোলমরিচের হাজারো গুণ। যা এককথায় বলা প্রায় অসম্ভব।
স্যুপ কিম্বা স্যালাড, সবেতেই আছে গোলমরিচ। এর ঝাঁঝালো স্বাদ শরীর এবং মনকে করে তোলে সতেজ।  ছোট্ট এই কালো দানার অসীম গুন।  শরীর নির্মেদ রাখতে গোলমরিচের জুড়ি মেলা ভার।

গোলমরিচের কথা
আদি উত্‍স দক্ষিণ ভারত। গোল মরিচ একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ।

গোলমরিচের পুষ্টিগুণ
গোলমরিচ(১০০ গ্রাম)
ভিটামিন A ও ক্যালসিয়াম
প্রোটিন  ১১.৫ গ্রাম
ফ্যাট ৬.৮ গ্রাম
শর্করা  ৮৯.২গ্রাম
ক্যালসিয়াম ৮৬০ মি.গ্রাম
ফসফরাস ১৯৮ মি. গ্রাম
আয়রন   ১৬.৮ মি.গ্রা
ভিটামিন B ১     ০.০৯ মি.গ্রাম
ভিটামিন B২      ০১.৪মি.গ্রাম

লা জবাব গোলমরিচ
> শরীরের মেদ ঝরাতে সাহায্য করে
> অন্ত্রের হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড নিঃসরণ বাড়িয়ে হজমে সাহায্য করে
> কফ-ঠান্ডাজনিত সমস্যা দূর করে
> ওজন কমানোর চিকিত্‍সায় ব্যবহার করা হয়
> ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি ব্যাহত করে, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে
> প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে, যা উচ্চচাপ নিয়ন্ত্রণ করে
> গোলমরিচের তেল ব্যথা,যন্ত্রণা দূর করে
> ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে গোল মরিচ

তাহলে বুঝতেই পারছেন ছোট্ট এই কালো দানার কি জাদু ক্ষমতা। তাই দেরি না করে এখন থেকেই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখুন গোলমরিচ। যা আপনাকে রাখবে সতেজ,নীরোগ। শরীর হবে নির্মেদ, ঝরঝরে।

কচি ডাবের কেরামতি



ছাতিফাটা গরমে ডিহাইড্রেশন? শরীরের নুন-জল ঘাম হয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে? গ্যাস, অম্বল, পেট খারাপে নাজেহাল দশা? প্রতিদিন ডাবের জল মাস্ট। সুস্থ থাকবে হার্ট, কিডনি। কমবে ওজন। কমাবে বয়স। স্কিন থাকবে টানটান।

কচি ডাবের কেরামতিতে মাত সাত থেকে সত্তর। ব্লাড প্রেশার কমায়। হার্ট টনিকের কাজ করে। হ্যাংওভার কাটায়। মাথাব্যথার মহৌষধ। ওজন কমায়। বয়স কমায়। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে কচি ডাবের জল। চাঁদিফাটা এই গরমে ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ করে একগ্লাস কচি ডাবের জল।

কচি ডাবের জলে রয়েছে ভরপুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যামিনো অ্যাসিড, এনজাইম, B-কমপ্লেক্স ভিটামিন, ভিটামিন C, আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও জিঙ্ক। ডাবের জলের প্রাকৃতিক মিনারেলস শরীরের রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে। ফলে, হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। অন্যান্য কার্ডিওভাসকুলার রোগের সম্ভাবনা কমায়। প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারণে কিডনির বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে ডাবের জল। বিভিন্ন খাবার এবং অন্যান্য মাধ্যমে প্রতিদিন শরীরে যে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস পেটে ঢোকে, সেগুলো মারতে একগ্লাস ডাবের জলই যথেষ্ট।

বমি হলে রক্তে পটাসিয়ামের পরিমাণ কমে যায়। ডাবের জল সেই ঘাটতি পূরণ করে। তাই অতিরিক্ত গরমে ডিহাইড্রেশন, ডায়েরিয়া, বমির জন্য ডাবের জল খুব উপকারি। এতে জলের পরিমাণ থাকে ৯৪ শতাংশ। তাই ত্বকের সৌন্দর্যরক্ষায়, পুরো দেহের শিরা-উপশিরায় সঠিকভাবে রক্ত চলতে সাহায্য করে। দেহে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ বাড়ে। প্রতিটি অঙ্গে বিশুদ্ধ রক্ত পৌছয়। ফলে পুরো দেহ হয়ে ওঠে সতেজ ও শক্তিশালী। ডাবের জল চুলের পুষ্টি জোগানোর পাশাপাশি খুশকি দূর করতে সাহায্য করে। এতে কোনও চর্বি বা কোলেস্টেরল নেই। প্রচুর খনিজ উপাদান থাকায় বাড়ন্ত শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবার জন্য ডাবের জল উপকারি।

তবে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে ডাবের জল খাওয়ার কিছু বিধিনিষেধ আছে।ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রেখেই ডাবের জল খাওয়া উচিত। কিডনিতে পাথর রয়েছে বা ডায়ালিসিস চলছে, এমন রোগীদের ডাবের জল খাওয়া নিষেধ। কারণ, উচ্চমাত্রার পটাসিয়াম কিডনি রোগীদের জন্য ক্ষতিকর।

Saturday, June 24, 2017

আপনার অ্যান্ড্রয়েডে ফোনের জন্য ডাউনলোড করে নিন MX Player Pro ভিডিও প্লেয়ার


অ্যান্ড্রয়েডে ফোনের জন্য সব থেকে ভালো ভিডিও প্লেয়ার App টি ডাউনলোড করে নিন ফ্রীতে  । 
এমএক্স প্লেয়ার অ্যান্ড্রয়েডের জন্য উপলব্ধ সবচেয়ে জনপ্রিয় এইচডি ভিডিও প্লেয়ারের মধ্যে একটি যা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনের মিডিয়া এবং ভিডিও বিভাগের অধীনে আসে । 
উন্নত হার্ডওয়্যার এক্সিলারেশন এবং উপশিরোনাম সমর্থন সহ শক্তিশালী ভিডিও প্লেয়ার ।
এমএক্স প্লেয়ার হল প্রথম অ্যানড্রয়েড ভিডিও প্লেয়ার যা বহু কোর ডিকোডিং সমর্থন করে। পরীক্ষার ফলাফল প্রমাণ করে যে ডুয়াল কোর ডিভাইসের পারফরম্যান্স একক-কোর ডিভাইসের চেয়ে 70% ভাল ।
স্ক্রীন জুড়ে চিমনি এবং সোয়াইপ করে সহজে জুম ইন করুন এবং আউট করুন। জুম এবং প্যান বিকল্প দ্বারা উপলব্ধ।

এটি পেইড অ্যাপ প্লে স্টোর থেকে ফ্রিতে ডাউনলোড করতে পারবেন না।আপনি চাইলে ফ্রিতে ডাউনলোড করে নিতে পারেন এখান থেকে।

                                                 

Subtitle formats:

- DVD, DVB, SSA/ASS subtitle tracks.
- SubStation Alpha(.ssa/.ass) with full styling.
- SAMI(.smi) with Ruby tag support.
- SubRip(.srt)
- MicroDVD(.sub)
- VobSub(.sub/.idx)
- SubViewer2.0(.sub)
- MPL2(.mpl)
- TMPlayer(.txt)
- Teletext
- PJS(.pjs)
- WebVTT(.vtt)


Download Link - MX Player Pro 1.9.8.apk

Download Link - MX Player Pro 1.9.0.apk


ফেসবুকের কিছু সমস্যা ও তার সমাধান

আজকাল আমরা অনেকেই নানান কাজে বেশ অনেকটা সময়েই থাকি ফেসবুকের সঙ্গে। ব্রাউজ করার সঙ্গে সঙ্গে ছবি বা ভিডিও আপলোডের বিষয়টিও চলতে থাকে। কিন্...