Sunday, October 1, 2017

কীভাবে বুঝবেন শরীরে খাবারের ঘাটতি রয়েছে আপনার?


অফিস, বাড়ি, জিম বা অন্য কোথাও। প্রতিদিন বিভিন্ন রকম খাবারের উপরে নির্ভর করতেই হয় আপনাকে। কিন্তু, অফিসের তাড়ায় কখনও ভাল করে ব্রেকফাস্টটা করা হয় না। আবার কখনও কাজের চাপে দুপুরের খাবারটাও ভাল করে খেতে পারেন না। সবকিছু মিলিয়ে প্রতিদিন যেভাবে আপনার খাবারে ঘাটতি থেকে যাচ্ছে, তাতে ওজন না কমলেও শরীরে কিন্তু বিভিন্ন রকম সমস্যা আপনার থেকেই যাচ্ছে। কিন্তু, কীভাবে বুঝবেন আপনার শরীরে খাবারের ঘাটতি থেকে যাচ্ছে?

প্রতিদিন যদি অধিক পরিমাণে আপনার চুল পড়া শুরু করে, তাহলে বুঝতে হবে খাবারের ঘাটতি রয়েছে।

যখন আপনার ব্লাড প্রেসার লেভেল হঠাত করে যদি নামতে শুরু করে কিংবা কখনও বেড়ে যেতে শুরু করে, তাহলেও বিপদ। অর্থাত, শরীরে খাবারের ঘাটতি থাকলে আপনার বিপি কখনও এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকবে না।

অল্পেতেই যদি আলসেমি লাগে। অর্থাত, কোনও কাজে এনার্জি না পান, তাহলে বুঝতে হবে, শরীরে খাবারের প্রয়োজন আছে।

সব সময় ঠান্ডা লেগে থাকলেও, শরীরে খাবারের অভাব রয়েছে বলে ধরে নিতে হবে। অর্থাত সব সময় সর্দি, কাশি কিংবা জ্বরে ভুগতে শুরু করেন, তাহলে বিপদ।

কারও না কারও উপর যদি সব সময় রাগ হয়, মেজাজ বিগড়ে থাকে, খিটখিটে হয়ে যান, তাহলে সাবধান। মেজাজ সব সময় বিগড়ে থাকলে শরীরে খাবারের অভাব রয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।

অনেক চেষ্টা করেও যদি মা হতে না পরেন, তাহলেও শরীর খারাপ হচ্ছে বলে ধরে নিতে হবে। অর্থাত, শরীরে খাবারের ঘাটতি থাকলেও অনেক সময় নানা ধরণের সমস্যা দেখা দেয় মা হওয়ার ক্ষেত্রে। তবে এ ক্ষেত্রে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।

কম খাচ্ছেন, এটা বোঝার অন্যতম উপায় হল, কনস্টিপেশনে ভুগতে শুরু করা। মলত্যাগে কষ্ট হতে শুরু করলে, বুঝতে হবে, আপনি কনস্টিপেশনে ভুগছেন। এ ক্ষেত্রে উপযুক্ত খাবার খেয়ে, ঘাটতি মেটাতে হবে।

এ সব ক্ষেত্রেই আরও বেশি করে সবুজ শাক সবজি খান। বেশি করে ফল খান এবং ডায়েট চার্ট অনুযায়ী সঠিক উপায়ে খাওয়াদাওয়া করুন। প্রয়োজনে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।

Tuesday, September 26, 2017

চুল পেকে যাচ্ছে? এই পদ্ধতিতেই মাস খানেকের মধ্যে পান সমাধান


অল্প বয়সে যদি চুল পাকা শুরু হয় সেক্ষেত্রে ঘরের বাইরে, অফিস কিংবা বন্ধু-মহলে বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয় প্রায়ই। পরিসংখ্যান বলছে ৩০ বছর বা তার কম বয়সে চুল পেকে যাওয়ার পিছনে অতিরিক্ত চিন্তাই বেশি দায়ী। তবে এসব সমস্যায় ঘরোয়া কিছু সমাধান রয়েছে। যেসব পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে…


আমলকী- একটা বাটিতে অল্প করে নারকেল তেল এবং কয়েক টুকরো আমলকী নিয়ে গরম করুন। তারপর সেই তেলটা ধীরে ধীরে সারা চুলে লাগিয়ে অপেক্ষা করুন কয়েক মিনিট। আমলকীতে উপস্থিত বিশেষ কিছু উপাদান পিগমেন্টের উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে। সাদা চুল কালো হতে শুরু করে।

আদা- এক চামচ মধুর সঙ্গে পরিমাণ মত আদা মিশিয়ে বানিয়ে ফেলুন একটা পেস্ট। প্রতিদিন চুলে লাগান। চুলকে দীর্ঘসময় কালো রাখতে ম্যাজিকের মত কাজ করবে।

নারকেল তেল- এর তো কোনও বিকল্পই নেই। একটা বাটিতে পরিমাণ মত নারকেল তেল এবং লেবুর রস নিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। তারপর মিশ্রনটা স্কাল্পে লাগিয়ে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন। এতে চুল তো পাকেই না। সেই সঙ্গে ফিরে আসবে চুলের হারিয়ে যাওয়া সৌন্দর্যও।

হেনা- বাটিতে দুই চামচ হেনা পাউডার, এক চামচ মেথি বীজ, দুই চামচ তুলসি পাতার পেস্ট, তিন চামচ কফি পাউডার, তিন চামচ মিন্ট পাতার জুস এবং এক চামচ টক দই মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। তারপর সেটি প্রতিদিন চুলে লাগাতে শুরু করুন। নিয়মিত এটা করলে সাদা চুল আর থাকবে না।

নিম তেল- নিম তেলে চুলের একাধিক সমস্যার সমাধান করে। চুল পড়া ও সাদা চুলের সংখ্যা কমাতেও বিশেষভাবে ভূমিকা পালন করে।

Saturday, September 2, 2017

বিশ্বের মেগাসিটি এবং বৃহত্তম শহরের তালিকা

  এটি 2017 সাল হিসাবে জনসংখ্যা দ্বারা বিশ্বের বৃহত্তম শহর এবং মহানগর এলাকার  তালিকা

RankMegacityImageCountryContinentPopulation
1TokyoTokyo Tower view.jpgJapanAsia38,800,000
2Greater JakartaJakarta Skyline (Resize).jpgIndonesiaAsia31,500,000
3SeoulSeoul-Cityscape-03.jpgSouth KoreaAsia25,514,000
4KarachiPakistanAsia24,300,000
5ShanghaiThe bund shanghai.jpgChinaAsia24,152,700
6ManilaBonifacio Global City.jpgPhilippinesAsia24,124,000
7New York CitySouth Manhattan Island photo D Ramey Logan.jpgUnited StatesNorth America23,632,722
8MumbaiMumbai night skyline.jpgIndiaAsia23,614,000
9Mexico CityCiudad.Mexico.City.Distrito.Federal.DF.Reforma.Skyline.jpgMexicoNorth America22,200,000
10DelhiSmog in the skies of Delhi, India.jpgIndiaAsia21,753,486
11BeijingBeijing City (4214640799).jpgChinaAsia21,516,000
12São PauloPonte e rio.jpgBrazilSouth America21,250,000
13LagosLagos skyline.jpgNigeriaAfrica21,000,000
14WuhanWuhan City.jpgChinaAsia20,600,000
14MoscowMoscow-City skyline.jpgRussiaEurope20,561,194
15Kyoto-Osaka-Kobe
Skyline in Osaka.JPGJapanAsia20,260,000
16GuangzhouGuangzhou skyline.jpgChinaAsia19,910,000
17ChongqingChongqing Night Yuzhong.jpgChinaAsia19,384,100
18CairoCairo by night.jpgEgyptAfrica18,810,000
19Los AngelesLos Angeles Skyline at Night.jpgUnited StatesNorth America18,550,288
20ChengduJiuyanqiao.jpgChinaAsia18,427,500
21DhakaDhaka Skyline at Night.jpgBangladeshAsia18,250,000
23TianjinTianjin Skyline 2009 Sep 11 by Nangua 2.jpgChinaAsia15,469,500
24BangkokBangkok - City skyline at mid day.JPGThailandAsia15,350,000
25IstanbulIstanbul skyline at night - Kopya.jpgTurkeyEuropeAsia14,800,000
26KolkataKolkata Skyline.jpgIndiaAsia14,766,000
27Rio de JaneiroCorcovado do Pão de Açúcar.jpgBrazilSouth America14,450,000
28LondonLondon from a hot air balloon.jpgUnited KingdomEurope13,842,667
29Buenos AiresAerial view - Palermo, Buenos Aires (2).jpgArgentinaSouth America13,834,000
30TehranTehran Skyline.jpgIranAsia13,700,000
31KinshasaBoulevard du 30 juin, Kinshasa.jpgDemocratic Republic of CongoAfrica12,500,000
32ParisParis skyline from the observation deck of the Montparnasse tower, July 2015.jpgFranceEurope12,405,426 
33ShenzhenEast Pacific Center Towers (2).jpgChinaAsia12,250,000
34HarbinHarbin Economic and Technological Development Zone.jpgChinaAsia11,635,971
35Rhine-RuhrNRW, Dortmund, Altstadt - St. Reinoldi 10.jpgGermanyEurope11,316,429
36LahoreLahore - panoramio - NAMMEWALLE (52).jpgPakistanAsia10,551,472
37ChennaiThe Ripon Building, Chennai CorporationIndiaAsia10,108,888

Tuesday, August 22, 2017

রক্তের গ্রুপ অনুযায়ী কি খাবেন আর কি খাবেন না জেনে নিন


রক্তের ধরন অনুযায়ী খাবার খেলে হজম ভালো হয়, এনার্জি আরও বাড়ে, বিভিন্ন রোগ এবং অসুস্থতা প্রতিরোধ করা যায়। এমনকী ওজনও কমানো সম্ভব হয়। এমনটাই মনে করছেন বিভিন্ন ডায়েটিশিয়ানরা। তাঁদের মতে আমাদের প্রত্যেককে নিজেদের রক্তের গ্রুপ অনুযায়ী কী কী খাবার খাবেন আর কী কী খাবার খাবেন না, তা অবশ্যই মনে রাখা দরকার। জেনে নিন কোন রক্তের গ্রুপের মানুষ কী কী খাবেন আর কী কী এড়িয়ে চললে ভালো হয়।

১) ব্লাড গ্রুপ: O-
খাবেন- মাছ, মাংস, ডিম, লেটুস, ব্রকোলি, পেঁয়াজ, কুমড়ো, আদা, রসুন, চেরি, রসপারবেরি, ক্র্যানবেরি, গুসবেরি, ডিমের সাদা অংশ, মুরগির মাংস, স্যান্ডউইচ, ধোকলা, কুলচা, ধোসা, ইডলি প্রভৃতি।
এড়িয়ে চলুন- পালং শাক, বাঁধাকপি, ভুট্টা, ফুলকপি, মাশরুম, কমলালেবু, স্ট্রবেরি, ব্ল্যাকবেরি, নারকেল, কড়াইশুঁটি, পিনাট বাটার।

২) ব্লাড গ্রুপ: A-
খাবেন- ভাত, ওটস, পাস্তা, কুমড়ো, বাদাম, অ্যাপ্রিকট, লেবু, কিশমিশ, ব্রাউন রাইস, গমের পাস্তা, সোয়া, ব্রাউন পোহা প্রভৃতি।
এড়িয়ে চলুন- কলা, নারকেল, পেঁপে, কাজু, পেস্তা, বিয়ার, মুরগির মাংস, মাছ, ডিম।

৩) ব্লাড গ্রুপ: B-
খাবেন- সবুজ শাক-সবজি, ডিম, লো ফ্যাট ডেয়ারি প্রোডাক্ট, ওটস, দুধের তৈরি খাবার, অ্যানিম্যাল প্রোটিন, পনীর, মাছ, ওট মিল।
এড়িয়ে চলুন- ভুট্টা, টমেটো, বাদাম, তিল, গম, মুরগির মাংস।

৪) ব্লাড গ্রুপ: AB-
খাবেন- তোফু, সি ফুড, দই, ছাগলের দুধ, ডিম, আখরোট, ওটস, ব্রকোলি, ফুলকপি, বিট, শশা, বেরি, ভাত-ডাল, রুটি-ডাল, ডালিয়া, খিচুড়ি, ব্রাউন রাইস।
এড়িয়ে চলুন- কফি, অ্যালকোহল, হোল মিল্ক, ভুট্টা, নারকেল, কলা, আম, ব্ল্যাক টি।

Saturday, August 19, 2017

ঘুমানোর আগে রোজ রাতে এই কাজটি করুন, আপনার সাফল্য ঠেকায় কে!


জীবনে সফল হতে কে না চায়?  কিন্তু কে জীবনে সফল হবেন, আর কে আমৃত্যু পড়ে থাকবেন ব্যর্থতার অন্ধকারে, তা কি আগে থেকে বলা সম্ভব? লাইফস্টাইল কোচ আর্থার কোর্তিয়ের বলছেন, সম্ভব।

আর্থারের দাবি, পৃথিবীর অধিকাংশ সফল মানুষই রোজ রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে এই বিশেষ কাজটি করে থাকেন। কী সেই কাজ? আর্থারের সমীক্ষার ফল বলছে, সেই কাজ হল বই পড়া।

ঠিক কী ভাবে বই পড়ার অভ্যাস এক জন মানুষকে সফল হতে সাহায্য করে?

আর্থারের ব্যাখ্যা, আসলে বই মানুষের জ্ঞান, চিন্তাশক্তি, বিবেচনা বোধ বৃদ্ধি করে। সেই সঙ্গে বাড়ায় মনঃসংযোগের ক্ষমতাও। এই সমস্ত মানসিক ক্ষমতা মানুষের সাফল্যের পথে বড় মূলধন হয়ে দাঁড়ায়। পাশাপাশি বই মানুষের মানসিক ও শারীরিক রিল্যাক্সেশনেরও বড় মাধ্যম। সারাদিন পরিশ্রমের শেষে বিছানায় শোওয়ার আগে কিছু ক্ষণ বই পড়ার অভ্যাস সারাদিনের ক্লান্তি ও গ্লানি দূর করতে অনেকখানি সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

যে কোনও মানুষই কি রাত্রে ঘুমনোর আগে বই পড়লে সফল হতে পারবেন?

 আর্থার বলছেন, গ্যারান্টি দিয়ে বলা না গেলেও নিয়মিত রাত্রিকালীন গ্রন্থপাঠ সাফল্যের সম্ভাবনা অনেকখানি বাড়াবে। কী ধরনের বই পড়তে হবে? আর্থারের উত্তর,  যে কোনও বই মানুষের মানসিক দক্ষতা বাড়ায়।

Tuesday, August 15, 2017

নিজেকে আরও স্মার্ট বানাতে চান? জেনে নিন এই টিপসগুলো


রাতারাতি স্মার্টনেস বাড়ানো যায় না। তার জন্য নিজেকে সেইভাবে তৈরি করতে হয়। কিছু শিখতে হয়।যদি আপনি নিজেকে ততটা স্মার্ট মনে না করেন, তাহলে জেনে নিন এই টিপসগুলো..

অনেকেই সিগারেট বা চুরুটকে স্মার্টনেসের প্রতীক ভাবেন। অনেকে মদ্যপান দ্বারাও নিজেকে স্মার্ট প্রমাণ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু এটা একেবারেই ভুল। কোনও কিছুর প্রতি আসক্তি পুরুষ অথবা নারীর স্মার্টনেসে ধাক্কা দেয়। কোনও কিছুর উপরে নির্ভরতা কমায় আত্মবিশ্বাস। আর আত্মবিশ্বাসই তো আসল স্মার্টনেস।

এই শেখাটা মন থেকে শিখতে হবে। নতুন কোনও শব্দ, নতুন কোনও তথ্য আপনাকে প্রতিদিন জানতে হবে। শুধু জানলেই হবে না, সেগুলো ব্যবহারিক জীবনে কাজে লাগাতে হবে। কোনও শব্দ শিখলে দিন কমপক্ষে তিনবার তিন জনের সঙ্গে কথাবার্তায় সেটা ব্যবহার করুন।

আপনার কি কোনও বিশেষ শখ আছে? যদি না থাকে, তবে এখনই কোনও শখে মেতে পরুন। ফুলের বাগান থেকে ডাকটিকিট জমানো— যা খুশি করুন। এটা কোনও একটা বিশেষ পছন্দের জগৎ তৈরি করে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। আত্মবিশ্বাসী মানুষই স্মার্ট।

কোনও কিছুই একদিনে হয় না। আপাতত শুরু করুন ছোটদের ক্রসওয়ার্ড বা শব্দের খেলা দিয়ে। পাজল ভিডিও গেমসও উপকারে আসবে।

সব সময় পজিটিভ ভাবুন। নেগেটিভ ভাবনা, অপরের সম্পর্কে নেগেটিভ আলোচনা, এমনকী নেগেটিভ আলোচনার মধ্যে থাকাও স্মার্টনেস কমিয়ে দেয়। আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়। নিয়মিতভাবে একটা পজিটিভ আবহে সময় কাটানোর চেষ্টা করুন।

তবে মনে রাখবেন, ‘স্মার্টনেস’ একটা আপেক্ষিক ব্যাপার। অতএব, স্থান ও কাল বুঝেই করবেন।

Wednesday, August 9, 2017

প্রথমবার মা হওয়ার জন্য সঠিক বয়স কোনটা? জেনে নিন বিশেষজ্ঞদের মতামত


একটা সময় পর্যন্ত মনে করা হত, মেয়েদের ২০ বছরের মধ্যেই প্রথমবার সন্তানধারণ করা উচিত। কিন্তু সময় বদলাচ্ছে। আর সেই বদলানো সময়ে চিকিৎসকরা মনে করছেন, ২০ বছর নয়, বরং আরও একটু দেরি করে মা হওয়াই নিরাপদ। সেটা যেমন মায়ের জন্য ভালো, তেমনই সন্তানের জন্যও নিরাপদ। তবে খুব বেশি দেরি না করাই মঙ্গল। কারণ, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মেয়েদের জননক্ষমতা কমে যেতে থাকে এবং গর্ভকালীন নানা জটিলতার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। তাই, চেষ্টা থাকা উচিত, যাতে ৩০ পার হওয়ার আগেই অন্তত প্রথমবার গর্ভধারণ করা যায়।

সাম্প্রতিক সমীক্ষা বলছে, ৩০ পেরিয়ে গেলে প্রজনন ক্ষমতা ৫০ শতাংশ কমে যায় এবং বয়স ৩৫ অতিক্রম করলে এই হার কমে যায় আরও ৩০ শতাংশ। তবে একটি সন্তান জন্ম নেওয়ার পরে এই ঝুঁকি কমে যায়। তিরিশের পরে সন্তানের জন্ম দিলে বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের ফলেও প্রজনন ক্ষমতা কমে যায়। তাই সতর্ক থাকা দরকার।

চিকিৎসকদের বক্তব্য, ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সের মধ্যেই মেয়েদের প্রথমবার মা হওয়ার জন্য আদর্শ সময়। আগে বা পরে হলেই বিপদের ভয়। দেরি করে সন্তান নিলে, চর্বি জমে ফ্যালোপাইন টিউব বন্ধ হয়ে যাওয়ারও সম্ভাবনা থাকে।

ফেসবুকের কিছু সমস্যা ও তার সমাধান

আজকাল আমরা অনেকেই নানান কাজে বেশ অনেকটা সময়েই থাকি ফেসবুকের সঙ্গে। ব্রাউজ করার সঙ্গে সঙ্গে ছবি বা ভিডিও আপলোডের বিষয়টিও চলতে থাকে। কিন্...