Saturday, December 30, 2017

আয়ুর্বেদ বলছে, কখন, কীভাবে জল খেলে শরীর সুস্থ থাকবে?


পরিমিত জল না খেলে শরীর সুস্থ থাকে না। জেনে নিন জল খাওয়ার নিয়ম।

মানুষের শরীরে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশই জল। পরিমিত জল না খেলে ক্ষতি হতে পারে শরীরের। সাধারণত, ৮ গ্লাস জল খাওয়া উচিত বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। শরীরের তাপমাত্রা ধরে রাখা থেকে হজমে সাহায্য করে জল। আয়ুর্বেদে জল খাওয়ার ব্যাপারে কিছু নিয়ম রয়েছে।

- এক ঢোঁকে অনেক পরিমাণ জল খাবেন না। আস্তে আস্তে জল পান করুন। ঠিক যেভাবে একটু একটু করে খাবার খান।

- তৃষ্ণার্ত হলে শরীর সংকেত দেয়। একটা ইঙ্গিত, আপনার প্রস্রাবের রং। এর পাশাপাশি ঠোঁট শুকিয়ে গেলেও বুঝতে হবে আপনি তৃষ্ণার্ত।

- দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে জল খাবেন না। তা শরীরের জলীয় ভারসাম্যকে নষ্ট করে। এতে আর্থারাইটিসের সমস্যা হতে পারে। তাড়াহুড়ো না করে বসে জল খান। এতে আপনার স্নায়ুতন্ত্রে ঠিক থাকবে। হজমের সমস্যাও থাকবে না।

- ইষদুষ্ণ জল শরীরের পক্ষে ভাল। আপনার কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে।

-সকালে ঘুম থেকে উঠেই জল খান। এতে শরীরের টক্সিন বাইরে চলে যাবে। পরিস্কার থাকবে কিডনিও। প্রথমে দু'কাপ জল খান। পরে আরও জল খান। সকালে বেশি পরিমাণ জল খেলে শরীর সুস্থ থাকে।


Thursday, December 28, 2017

নলেন গুড়েই রয়েছে রোগা হওয়ার চাবিকাঠি, জানেন কি?


শরীরে হালকা হিমের পরশ। জয়নগরের মোয়া আর নলেন গুড়ের স্বাদ। বর্ষশেষে শীতের মজা নিতে শুরু করেছে বঙ্গবাসী। এইসময়ে রোজ খাবার শেষ পাতে নলেন গুড় যেন মধুর স্বাদ আনে জিভে। কিন্তু জানেন কি নলেন গুড়ের কী কী উপকারিতা?

গুড় হজম-শক্তি বাড়ায়। এছাড়া পেটও পরিষ্কার করে গুড়। যাঁরা রক্তাল্পতায় ভোগেন, তাঁদের গুড় রাখা উচিত ডায়েটে, জানাচ্ছেন চিকিত্সকরা। গুড়ে আয়রন থাকে। অ্যানিমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য দারুণ উপকারী গুড়। গুড়ে ম্যাগনেসিয়াম বেশি থাকে যা স্নায়ুতন্ত্র ভালো রাখতে কার্যকরী। এছাড়াও গুড়ে থাকে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট।

গুড় তাড়াতাড়ি হজম করায় কারণ তাতে প্রচুর পরিমাণের কার্বোহাইড্রেট থাকে। সারাদিন নিজেকে তরতাজা রাখতে গুড় খান। গুড় খেলে শরীরে প্রচুর এনার্জি তৈরি হয়। সর্বোপরি, গুড় খেলে ওজন কমে। গুড়ে প্রচুর পরিমাণ পটাসিয়াম থাকে। এর ফলে শরীরের মেদও ঝড়ে।

Monday, December 25, 2017

পুষ্টি বিচারে কয়েত বেলের জুড়ি মেলা ভার জানেন কি?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হেলাফেলার এই কয়েত বেল কাঁঠাল, পেয়ারা,  লিচু, আমলকি, আনারসের চেয়েও বেশি উপকারি। বিশেষজ্ঞদের দাবি, কয়েত বেল কিডনি সুরক্ষিত রাখে। লিভার ও হার্টের জন্যও উপকারি।



হজমের সমস্যা? সুগারে কুপোকাত? ওষুধের লম্বা লিস্ট নিয়ে দোকানে ছুটছেন? কয়েত বেল খান। ওষুধের খরচ কমান। কয়েত বেলের গুণ অশেষ।

নুন, লঙ্কা দিয়ে কয়েত বেল মাখা। টক, ঝালে মাখামাখি। স্বাদে, গন্ধে অতুলনীয়। পুষ্টি বিচার করলে কয়েত বেলের জুড়ি মেলা ভার।

১০০ গ্রাম কয়েত বেলে রয়েছে ২.২ গ্রাম মিনারেল, ফ্যাট ০.১ গ্রাম, শর্করা ৮.৬ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫.৯ মিলিগ্রাম, আয়রন ০.৬ মিলিগ্রাম, ভিটামিন B ০.৮০ মিলিগ্রাম, ভিটামিন C ১৩ মিলিগ্রাম।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হেলাফেলার এই কয়েত বেল কাঁঠাল, পেয়ারা,  লিচু, আমলকি, আনারসের চেয়েও বেশি উপকারি। বিশেষজ্ঞদের দাবি, কয়েত বেল কিডনি সুরক্ষিত রাখে। লিভার ও হার্টের জন্যও উপকারি। কয়েত বেলের ট্যানিন দীর্ঘদিনের ডায়েরিয়া ও পেট ব্যথা ভাল করে। কলেরা ও পাইলসের প্রতিষেধক। দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য ও আমাশায় কয়েত বেল উপকারি। পেপটিক আলসারে কয়েত বেল ভাল কাজ করে। ডায়াবেটিসে ভাল কাজ দেয় কয়েত বেল। রক্ত পরিষ্কার করে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। রক্তস্বল্পতা দূর করে। শরীরের শক্তি বাড়ে। সর্দি-কাশিতে কয়েত বেলের জুড়ি মেলা ভার। শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, স্নায়ুর শক্তি বাড়ায়। ফুসফুসের চিকিত্সায় কয়েত বেলের কার্যকরী ভূমিকা। মহিলাদের হরমোনের অভাব সংক্রান্ত সমস্যা কমায়। স্তন ও জরায়ু ক্যানসার প্রতিরোধ করে কয়েত বেল। কাঁচা কয়েত বেলের রস মুখে মাখলে ব্রণ ও মেছেতার সমস্যা কমে।

Saturday, December 23, 2017

গুড় না চিনি, গুণে এগিয়ে কে?

ফ্লু সারায় গুড়। কাশি, ঠান্ডা লেগে নাক দিয়ে জল পড়া, মাইগ্রেন, পেট ফাঁপার মতো রোগে উপকারি গুড়। হালকা গরম জলে অল্প গুড় মিশিয়ে সেই জল খেলে উপকার। বা চায়ে চিনির বদলে গুড় দিয়ে খেলে উপকার।



চিনি না গুড়, বিতর্ক চিরকালের। শীতের ব্রেকফাস্টে চিনি দিয়ে রুটি খাবেন নাকি নলেন গুড়ে ডুবিয়ে, তা ঠিক করবেন খাদ্যরসিকই। তবে, সতর্ক থাকতে হবেই। এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু চিনি ছাড়া কি চা চলে?

চিনির চেহারা ভদ্রলোকের মতো শুভ্র ও পবিত্র। আর গুড়ের চেহারায় কোনও কৌলীন্য নেই। তাই গুড়ের চেয়ে চিনিই বেশি সমাদৃত। চিনি তৈরি হয় আখের রস থেকে। আর গুড় হয় সাধারণ আখের রস বা খেজুর রস জ্বাল দিয়ে।

চিনিতে রয়েছে সুক্রোজ নামে শর্করা। আর গুড়ে সুক্রোজের সঙ্গে থাকে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, লোহা। সেই সঙ্গে সামান্য প্রোটিনও থাকে গুড়ে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, উপকারের প্রশ্ন উঠলে এগিয়ে থাকবে গুড়।

চিনির চেয়ে কেন এগিয়ে গুড়?

কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ। শরীরে হজমের এনজাইমের কার্যকারিতা বেড়ে যায় গুড় খেলে। যাঁদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে, তাঁরা লাঞ্চ বা ডিনারের ২০ মিনিট পর অল্প গুড় খেয়ে নিতে পারেন।

অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ করে। গুড়ে রয়েছে প্রচুর আয়রন। ফলে, হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায়। লিভার পরিষ্কার রাখে। ১৫দিন অন্তর অল্প পরিমাণ গুড়। শরীরের থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন বের করে দেয়।

ফ্লু সারায় গুড়। কাশি, ঠান্ডা লেগে নাক দিয়ে জল পড়া, মাইগ্রেন, পেট ফাঁপার মতো রোগে উপকারি গুড়। হালকা গরম জলে অল্প গুড় মিশিয়ে সেই জল খেলে উপকার। বা চায়ে চিনির বদলে গুড় দিয়ে খেলে উপকার।

প্রি-মেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম কমায়। পিরিয়ডসের আগে অল্প পরিমাণ গুড়। এন্ড্রোফাইন বা হ্যাপি হরমোন বেরিয়ে শরীরকে রিল্যাক্স করতে সাহায্য করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। গুড়ে থাকে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, জিঙ্ক আর সেলেনিয়ামের মতো মিনারেল। ফলে, শরীরে ফ্রি রেডিক্যাল ড্যামেজ রোধ করে। এ ছাড়া বিভিন্ন ইনফেকশন থেকে লড়াই করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।  

তবে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, গুড়ে থাকে প্রচুর ক্যালরি। তাই যাঁদের ডায়াবেটিস আছে বা যাঁরা ওজন কমাচ্ছেন, তাঁদের গুড় না খাওয়াই ভাল। বা খেলেও পরামর্শ নিতেই হবে চিকিত্সকদের।

ভারতের বাজারে সব থেকে দ্রুতগামী ব্যাটারিচালিত স্কুটার লঞ্চ করল ওকিনাওয়া


সামনের চাকায় ডাবল ডিস ব্রেক। পিছনের চাকায় সিঙ্গল। সঙ্গে রয়েছে এলইডি হেডল্যাম্প। ফুল ডিজিটাল ইনফরমেশন ক্লাস্টার। না কোনও সুপারবাইক নয়। এই স্পেসিফিকেশন একটি স্কুটারের। তাও আবার ব্যাটারিচালিত।

ভারতের বাজারে তাদের দ্বিতীয় স্কুটার লঞ্চ করেছেন জাপানি সংস্থা ওকিনাওয়া। দিল্লিতে ৫৯,৮৮৯ টাকা এক্স - শোরুম দামে মিলবে 'প্রেইস' নামে এই স্কুটার। ব্যাটারিচালিত এই স্কুটার গতি ও ফিচারে টক্কর দিতে পারে যে কোনও জ্বালানিচালিত স্কুটারকে।

ওকিনাওয়ার দাবি, ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭৫ কিলোমিটার বেগে ছুটতে পারে এই স্কুটার। ব্যাটারিচালিত স্কুটারের শ্রেণিতে ভারতে যা সর্বোচ্চ। স্কুটারটিতে রয়েছে ১০০০ ওয়াটের ব্রাশলেস  ডিসি মোটর। একবার চার্জে ১৭০-২০০ কিলোমিটার ছুটতে পারে এই স্কুটার। একবার চার্জ হতে সময় লাগে মাত্র ২ ঘণ্টা। সামনের চাকায় রয়েছে ডাবল ডিস ব্রেক। পিছনের চাকায় রয়েছে সিঙ্গল ডিস ব্রেক।

সামনে রয়েছে ডাবল টেলিস্কোপিক সাসপেনশন। রয়েছে এলইডি হেডল্যাম্প ও সিটি লাইট। রয়েছে ইলেক্ট্রনিক অ্যাসিস্ট্যান্ট পার্কিং সিস্টেম। মাত্র ২০০০ টাকা দিয়ে দেশের ১০০ শহরে বুক করা যাচ্ছে এই স্কুটার।

বুড়ো আঙুলের থেকেও ছোট, কয়েনের থেকেও হালকা, আসছে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম ফোন


বিশ্বের সব থেকে ছোট ফোনের আত্মপ্রকাশ ঘটাল জ্যাংকো নামে একটি সংস্থা। বাণিজ্যিক উত্পাদন শুরু না-হলেও সংস্থার দাবি বুড়ো আঙুলের থেকেও আকারে ছোট এই ফোন। ওজন মাত্র ১৩ গ্রাম।

Zanco tiny t1 নামে এই ফোন আকারে মাত্র ৪৬.৭/২১/১২ মিমি। ফোনটি থেকে কল ও টেক্সট মেসেজ করা যাবে। ফোনে রয়েছে ০.৪৯ ইঞ্চি ওএলইডি ডিসপ্লে। একটিই ন্যানো সিম ব্যবহার করা যাবে এই ফোনে। সেভ করা যাবে ৩০০ ফোন নম্বর। কল লিস্টে সেভ থাকবে ৫০টি নম্বর। সেভ রাখা যাবে ৫০টি এসএমএস।

ফোনটিতে থাকবে মিডিয়াটেক প্রসেসর। সঙ্গে ৩২ এমবি RAM ও ৩২ এমবি ইন্টারনাল স্টোরেজ। ২০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারআওয়ার ব্যাটারিতে মিলবে ৩ দিনের স্ট্যান্ডবাই ও ৩ ঘণ্টার টকটাইম। ইউএসবির মাধ্যমে কম্পিউটারের সঙ্গেও সংযুক্ত করা যাবে এই ফোন। ব্রাউজ করা যাবে ইন্টারনেটও। আগামী বছর মে থেকে মিলবে এই ফোন।

Sunday, December 10, 2017

কোথায় কোথায় ব্যবহার হয়েছে আপনার আধার কার্ড? জেনে নিন নিজেই


সরকারের নির্দেশে এখন যাবতীয় সমস্ত কিছুতেই আধার নম্বর বাধ্যতামূলক হয়ে গিয়েছে। মোবাইল নম্বর থেকে শুরু করে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, গ্যাস সংযোগ গ্রহণ এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স সমস্ত কিছুর সঙ্গে আধার নম্বর লিঙ্ক করা খুবই জরুরি। ‘সবকিছুতে আধার নম্বর বাধ্যতামূলক’, সরকারের এই নির্দেশের অপব্যবহার করছে কিছু অসাধু ব্যক্তি এবং সংস্থা। যেকোনও কিছুতেই আপনাকে বাধ্য করছে আধার নম্বর দেওয়ার জন্য। অসাধু ব্যক্তিদের জন্য আপনার আধার নম্বর ঠিক কোথায় কোথায় ব্যবহার হয়েছে, তা জানাটা এখন খুবই প্রয়োজনীয়। এমনটা হতেই পারে, আপনার আধার নম্বর ব্যবহার করে অসাধু ব্যক্তিরা কোনও খারাপ কাজ করছে। তাই এবার নিজেই জেনে নিন, ঠিক কোথায় কোথায় আপনার আধার নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে।

কীভাবে জানবেন কোথায় কোথায় আপনার আধার ব্যবহার হয়েছে? জেনে নিন-

১) প্রথমে আধার অথেন্টিকেশন হিস্ট্রি পেজ https://resident.uidai.gov.in/notification-aadhaar -এ ক্লিক করুন।
২) এবার সেখানে আপনার আধার নম্বর এবং সিকিউরিটি কোড দিন।
৩) ‘generate OTP’-তে ক্লিক করুন।
৪) এবার আপনার রেজিস্টার করা মোবাইল নম্বরে OTP চলে আসবে।
৫) পেজটি আপনাকে তারিখের পরিসীমা নির্বাচন করতে বলবে। এবার সেই OTP দিন এবং ‘submit’ অপশনে ক্লিক করুন।
৬) সমস্ত আধার অথেন্টিকেশন রিকোয়েস্টের তারিখ এবং সময় আপনি দেখতে পেয়ে যাবেন।

দেওয়া তথ্যে যদি কিছু আপনার অসঙ্গতিপূর্ণ মনে হয়, তাহলে আপনার আধার ইনফরমেশন অনলাইন লক-আনলক করতে পারবেন।

ফেসবুকের কিছু সমস্যা ও তার সমাধান

আজকাল আমরা অনেকেই নানান কাজে বেশ অনেকটা সময়েই থাকি ফেসবুকের সঙ্গে। ব্রাউজ করার সঙ্গে সঙ্গে ছবি বা ভিডিও আপলোডের বিষয়টিও চলতে থাকে। কিন্...