Thursday, January 11, 2018

ইন্টারনেটে নেওয়া সমীক্ষার ভিত্তিতে বিশ্বের এই ১৭টি দেশের মেয়েরা সবচেয়ে সুন্দরী


প্রতিটি মেয়েই তাঁর নিজের মতো করে সুন্দর। সৌন্দর্যের সে অর্থে কোনও সঠিক উদাহরণ হয় না। কারও নাক সুন্দর, কারও চোখ, কারও ঠোঁট, কারও বা ব্যক্তিত্ব। সবমিলিয়েই একজন মানুষ সুন্দর হয়। তবে ইন্টারনেটে একটি সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। সেই সমীক্ষার বিচারেই বিশ্বের ১৭টি দেশ নির্বাচিত হয়েছে, যেখানকার মেয়েরা সবচেয়ে সুন্দর। সেই তালিকায় কারা রয়েছে দেখব


সুইডেন, সুইডিশ মহিলাদের চোখের গভীরতায় যে কেউ ডুবে চায়। স্পোর্টি এবং অভিজাত, এই দুই বৈশিষ্ট নিয়ে তৈরি হয়েছে সুইডিশ মহিলাদের চোখ। আর সেই সৌন্দর্যেই ডুব দিতে প্রস্তুত গোটা দুনিয়া


ফিলিপিন্স, এখানকার মহিলারা মূলত হাসিখুশি, মিষ্টি, সমীক্ষার বিচারে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে


ইউনাইটেড কিংডম, এখানকার মহিলারা মূলত ক্যারিশিম্যাটিক, মিষ্টি এবং এঁদের চিবুকের সৌন্দর্যের জন্যে এঁরা দুনিয়ার নজর কাড়েন




ভারত হল সুন্দরী মহিলাদের অন্যতম আতুঁরঘ। অদ্ভূত এক মায়াবী, সারল্য রয়েছে এখানকার মহিলাদের মধ্যে


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, স্পোর্টি এবং ঠাট্টা-তামাশা ভালবাসেন এখানকার নারীরা। এঁরা এঁদের ব্যক্তিত্বের জন্যে সকলের নজর কাড়েন


আর্জেন্তিনা, এখানকার মহিলাদের সৌন্দর্য একেবারেই অন্যদের থেকে আলাদা। হয়তো ওই অন্যরকমের জন্যেই তাঁদের সহজে এড়ানোও যায় না


অস্ট্রেলিয়া, সমুদ্রের ধারে থাকেন এখানকার নন্দিনীরা। হয়তো এঁদের গড়নই এঁদের সৌন্দর্যের আসল রহস্য


কানাডা, এখানাকার মেয়েদের স্বভাব খুবই মিষ্টি এবং খুব সহজে মেলা মেশাও করা যায়


নেদারল্যান্ড, এখানকার মহিলারা লম্বা, সুন্দরী এবং ভীষণ খোলা মনের। যেটা অনেক সময়ই খুঁজে পাওয়া যায় না


ইতালি, এখানকার নারীরা খুব ফ্যাশনপ্রেমী, কেতাদুরস্ত হন


ভেনিজুয়েলা, এখান থেকেই বিশ্বের সুন্দরী প্রতিযোগিতা জেতার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।


রাশিয়ার মহিলাদের মধ্যে এক অদ্ভূত মাদকতা থাকে, যা সহজে কারও পক্ষে এড়িয়ে চলা একটু হলেও কঠিন


কলম্বিয়া, সূর্যে রশ্মিতে ঝলসে তাঁরা যেন আরও সুন্দর


ডেনমার্ক, ড্যানিশ মহিলারা এককথায় গর্জিয়াস।


দক্ষিণ কোরিয়ার মেয়েরা মিষ্টি, বাবলি এবং মজার হয়


ইউক্রেন, এখানকার মহিলাদের সৌন্দর্য নিয়ে যত কথা কম বলা যায় ততই ভাল। এঁরা এক হিসেবে অনবদ্য


ব্রাজিল, এঁরা স্পোর্টি, ট্যানড এবং একটা অদ্ভূত সারল্য আছে এঁদের মধ্যে



কীভাবে গোপনে গুগল সার্চ লিস্ট ডিলিট করবেন জেনে নিন


গোটা বিশ্বে যা কিছু তথ্য জানার প্রয়োজন রয়েছে তা জানতে সবসময় আমরা গুগল সার্চ করি। কোথায় কোন তথ্য সবচেয়ে ভালো পাওয়া যায় তার খোঁজ করতেও গুগল করেন ইজরাররা। প্রকৃতপক্ষে একজন ব্যবহারকারীর সার্চ লিস্ট দেখলেই বোঝা যায় তিনি কেমন মানুষ, কী পছন্দ করেন।

মোটকথা, ওই সার্চ লিস্টের সূত্র ধরে কখনও কখনও গ্রাহকদের ব্যক্তিত্বও বোঝা যায়। সেজন্য অনেকেই তাদের সার্চ লিস্ট অন্যকে দেখাতে চান না, কিংবা গোপন রাখতে চান। যারা এমন কাজ করতে আগ্রহী তাদের জন্য আরও সহজ সমাধান রয়েছে। যে কেউ চাইলেই তার সার্চ লিস্ট মুছে ফেলতে পারবেন সহজে। এতে নিজের সার্চ লিস্ট অন্যদের দেখার কোনও সুযোগ থাকবে না।

আসুন দেখে নেওয়া যাক সার্চ লিস্ট ডিলিটের ধাপগুলো-

১. প্রথমেই গুগল মাই অ্যাক্টিভিটিতে প্রবেশ করুন। এজন্য মাইঅ্যাক্টিভিটিতে.গুগল.কমে https://myactivity.google.com  লগইন করতে হবে

২. এ পর্যায়ে ডিলিট অ্যাক্টিভিটি বাই অপশনটি নির্বাচন করতে হবে

৩. এখানে আপনি কোনদিনের সার্চ লিস্ট মুছতে চান তার একটি নির্দেশনা আসবে। আপনি চাইলে গত ৭ দিন, ৩০ দিন কিংবা এ সব অথবা নির্দিষ্ট দিনের সার্চ লিস্ট মুছতে পারবেন

৪. প্রোডাক্ট অপশনের পর সার্চ ও ইমেজ সার্চ অপশন সিলেক্ট করুন

৫. এবার ডিলিট অপশন চাপুন।

Wednesday, January 10, 2018

বিজ্ঞানীদের দাবি, দিনে ৮ ঘণ্টার ঘুম দরকার


কাজের মধ্যে ঢুবে থাকেন অথছ ঘুমাচ্ছেন কম। মনে করছেন সব ঠিক রয়েছে। কিন্তু ভেতরে ভেতরে আপনি জটিল অসুখের শিকার হয়ে যাচ্ছেন! কেজো লোকজন বা যারা অফিস ছুটির পরও মগজে ফাইল পুরে বাড়ি ফেরেন তাঁরা সাবধান! সতর্ক করছেন বিজ্ঞানীরা।

বিজ্ঞানীদের দাবি, দিনে ৮ ঘণ্টার কম ঘুম আপনাকে ডিপ্রেসন ও অ্যাংজাইটির দিকে ঠলে দিতে পারে। শুধু তাই নয় নিয়মিত ঘুমে ব্যাঘাতও আপনার মনঃসংযোগ ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। আর ৯ ঘণ্টা যারা কাজ করেন, তাঁদের অনেকের ক্ষেত্রে এটাই হয়ে থাকে।

বিনগামটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেরেডিথ কোলের দাবি, সাধারণত মানুষের একটা প্রবণতা হল কোনও একটি বিষয় নিয়ে চিন্তা করে যাওয়া। এর মধ্যে কিছু নেগেটিভ চিন্তাও থাকে। এইসব চিন্তাগুলিই অ্যাংজাইটি, ডিপ্রেশনের মতো জটিল সমস্যা ডেকে আনতে পারে।

সায়েন্স ডাইরেক্ট জার্নালে প্রকাশিত ওই গবেষণা অনুযায়ী, সময় ও প্রয়োজনমতো ঘুম মানুষের মস্তিস্ক থেকে নেগেটিভ চিন্তাভাবনা অনেকটাই কমিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে কেউ ডিপ্রেশন বা অ্যাংজাইটির শিকার হলে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞদের প্রধান কাজই হল ঘুমতে যাওয়ার সময় ও ঘুমের সময় বেঁধে দেওয়া। ফলে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়ার আগে ঘুমের সময় ও পরিমাণ সম্পর্কে সচেতন হওয়া উচিত।

Friday, January 5, 2018

খুব চুল ঝরছে ? শ্যাম্পু-কন্ডিশনার থেকে এটা কাজ দেবে বেশি


ছোটবেলা থেকে তো শুনে এসেছেন মুখের রুচি ফেরাতে পেয়ারা দারুণ কাজ করে ৷ আবার এটাও শুনেছেন দাঁতের মাড়ি শক্ত করতে, দাঁত থেকে কালো ছোপ দূর করতে পেয়ারা পাতা বা পেয়ারার ডালের বিকল্প নেই ৷ মা-ঠাকুমার কাছে এমনটাও শোনা পেয়ারার ডাল দিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজলে, দাঁতের ক্ষয়-ক্ষতি দূর হয় ৷ এমনকী, মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে পেয়ারা পাতা চিবিয়ে নিলে, খুব সহজেই স্বস্তি পাওয়া যায় ৷ এগুলো শুনেছেন, কাজেও লাগিয়েছেন ৷ কিন্তু আপনারা কী জানতেন এই পেয়ারা পাতা চুল পড়া বন্ধ করতে পারে ৷ এমনকী, নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে পেয়ারা পাতা !

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিউটিশিয়ানদের গবেষণার মধ্যে এরকমই তথ্য এসেছে ৷ শুধু বিউটিশিয়ান নয়, আয়ূবেদের চিকিৎসকরাও একথা স্বীকার করেছেন, যে পেয়ারা পাতার মধ্যে এমন প্রাকৃতিক গুণ রয়েছে যা চুলের পক্ষে খুব ভাল ৷

চিকিৎসকরেদর মতে, পেয়ারার মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ৷ যা চুলের গোড়া শক্ত করতে দারুণ কাজ দেয় ৷ এমনকী, নতুন চুল গজাতেও কাজে আসে পেয়ারা ৷ তবে চিকিৎসকরা বলছেন, পেয়ারা খান ৷ বরং চুলের ক্ষেত্রে কাজে লাগান পেয়ারা পাতা !

কীভাবে কাজে লাগাবেন পেয়ারা পাতা ?

একটি পাত্রে জল নিয়ে বেশ কয়েকটা পেয়ারা পাতা নিয়ে দিয়ে দিন ৷ ২০ মিনিটের মতো, পেয়ারা পাতা দেওয়া জলকে ফুটিয়ে নিন ৷ জল ফুটে গেলে পেয়ারা পাতার কাৎ তৈরি হবে ৷ ঠান্ডা করে চুলে ও স্কাল্পে লাগিয়ে নিন ৷ দু থেকে তিনঘণ্টা মাথায় রাখুন ৷ রাতে ঘুমতে যাওয়ার আগে পেয়ারার কাৎ মাথায় মাখলে বেশি কাজ দেবে ৷ তাই দ্রুত ফল পেতে, এটা ব্যবহার করুন রাতেই ৷

চিকিৎসকরা বলছেন, পেয়ারা পাতা শুধু চুল পড়া নয়, চুলের গ্রোথ বাড়াতে, চুলকে সুন্দর করে তুলতে, এমনকী অকালপক্কতা দূর করতেও পেয়ারা কাজে দেয় বেশি ! তাই বিউটি পার্লারে গিয়ে টাকা খরচ না করে নিয়মিত পেয়ারা পাতা মাথায় মাখুন !

জানেন শীতকালে গায়ে রোদ লাগালে কী হয়?


রোদে কালো হয়ে যাওয়ার ভয়ে, অনেকেই রোদ গায়ে লাগান না৷ তবে চিকিৎসকরা বলছেন, দিনে কয়েক ঘণ্টা যদি গায়ে রোদ লাগানো যায়, তাহলে শরীর উল্টে ভালো থাকে ৷

১. ইমিউন সিস্টেম যত শক্তিশালী হবে, তত নানাবিধ সংক্রমক রোগ দূরে থাকবে। সেই সঙ্গে নানা ধরনের জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পাবে। এই কাজটি করতে প্রতিদিন সকালে কিছু সময় সূর্যের আলো গায়ে লাগতে দিন। এতে শরীরে শ্বেত রক্ত কণিকা এবং গামা গ্লোবিউলিনের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে। ফলে কোনও ধরনের সংক্রমণই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারবে না।

২. রোদে কিছু সময় হাঁটলে কী হয় জানেন? খুব ঘাম হতে থাকে। সেই সঙ্গেও পিপাসাও পায়। আর তখন আমরা লিটার লিটার জল খেয়ে থাকি। যত বেশি করে জল খাই, তত বেশি বেশি প্রস্রাব হয়। ফলে শরীরের অন্দরে জমে থাকা টক্সিন বেরিয়ে যায়। সেই সঙ্গে ঘামের মাধ্যমে ত্বকের ছিদ্রে জমে থাকা ময়লাও বেরিয়ে যায়। ফলে ত্বক এবং শরীর, উভয়ই সুন্দর হয়ে ওঠে। তবে তাই বলে ঘন্টার পর ঘন্টা রোদে হাঁটবেন না যেন, শরীর খারাপ হয়ে যাবে কিন্তু!

৩. টানা চার সপ্তাহ অল্প সময়ের জন্য সূর্যের আলো গায়ে লাগালে সোরিয়াসিসসহ একাধিক ত্বকের রোগ সেরে যায়। তবে বেলা ১২টার আগে এই কাজটা করবেন। কারণ বেলা বাড়লে রোদের তেজও বেড়ে যায়। ফলে এমন সময় সূর্য়ের আলো গায়ে লাগাতে কষ্ট হতে পারে।

৪. ব্রেস্ট, কোলোন এবং প্রস্টেট ক্যান্সার রোধে সূর্যের আলোর কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। শুধু তাই নয়, সারা শরীরে রক্ত প্রবাহ বাড়িয়ে দিয়ে ক্যান্সার সেলকে ধ্বংস করে ফেলতেও সূর্যের আলো বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তবে বেলা বাড়ার পর বেশিক্ষণ সূর্যের নিচে কাটালে স্কিন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। তাই যতটা পারবেন সকাল বেলা সূর্য়ের আলো গায়ে লাগানোর চেষ্টা করবেন।

৫. যারা অনিদ্রায় ভুগছেন, তারা কাল থেকেই রোদ লাগানো শুরু করুন গায়ে। এমনটা করলে দেখবেন রাতে ঘুম না আসার সমস্যা দূর হবে। আসলে সূর্যের আলো চোখে লাগা মাত্র অপটিকাল নার্ভ মারফত আমাদের মস্তিষ্কে একটি বিশেষ সিগনাল যায়, যা মেলাটোনিন রাসায়নিকের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। এই রাসায়নিকের ক্ষরণ যত বাড়তে থাকে, তত ঘুমে ব্যাঘাত ঘটার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

৬. একাধিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়েছে যে সূর্য়ের আলো গায়ে লাগলে আমাদের মস্তিষ্কে বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যা নিমেষে মনকে ভাল করে দেয়। সেই সঙ্গে শারীরিক ক্লান্তিও দূর করে।

৭. বিশ্বের নানা প্রান্তে হওয়া একাধিক গবেষণা একথা প্রমাণ করেছে যে সূর্যের আলো রক্তচাপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে শরীরে বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা যাতে বৃদ্ধি না পায়, সেদিকেও খেয়াল রাখে। আর একথা তো সকলেরই জানা আছে যে কোলেস্টেরল এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকলে হার্টের ক্ষতি হওয়ার কোনও আশঙ্কাই থাকে না। প্রসঙ্গত, প্রতিদিন সকালে রোদ গায়ে মেখে ১ ঘন্টা বাইরে বসে থাকুন। তাহলেই দেখবেন হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটবে। সেই সঙ্গে নানাবিধ হার্ট ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পাবে।

8. লোহিত রক্ত কণিকা বেশি বেশি করে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত শরীরের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দিয়ে শরীরকে যাতে চাঙ্গা রাখতে পারে, সেদিকে খেয়াল রাখে সূর্যালোক। কিছু সময় রোদে কাটালে শরীরে এনার্জির ঘাটতি দূর হয়, সেই সঙ্গে দেহের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

৯. স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটায়: সূর্যালোক মস্তিষ্কে একাধিক উপকারি কেমিকেলের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়, যা ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধির পাশাপাশি মস্তিষ্কের সার্বিক কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, যাদের পরিবারে ডিমেনশিয়া বা অ্যালজাইমারের মতো রোগের ইতিহাস রয়েছে, তাদের প্রতিদিন কিছুটা সময় সূর্যের সঙ্গে কাটানো উটিত। এমনটা করলে দারুন উপকার পাওয়া যায়!

Wednesday, January 3, 2018

এশিয়ার টপ ১০ 'সেক্সিয়েস্ট ওম্যান' Top 10 Sexiest Asian Women

Top 10 Sexiest Asian Women

1. - Priyanka Chopra তালিকার এক নম্বরেই রয়েছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া


2. - Nia Sharma ওই তালিকার ২ নম্বরে রয়েছেন নিয়া শর্মা 


3. -  Deepika Padukone তৃতীয় স্থানে রয়েছেন দীপিকা পাডুকন 


4. - Alia Bhatt এশিয়ার টপ সেক্সিয়েস্ট ওম্যান-এর তালিকায় ৪ নম্বরে রয়েছেন আলিয়া ভাট



5. - Mahira Khan 



6. - Drashti Dhami ওই তালিকার ৬ নম্বরে রয়েছেন দ্রাস্তি ধামি 



7. - Katrina Kaif ৭ নম্বরে রয়েছে ক্যাটরিনা কাইফ



8. - Shraddha Kapoor এশিয়ার সেক্সিয়েস্ট ওম্যান-এর তালিকায় ৮ নম্বরে রয়েছেন শ্রদ্ধা কাপুর 


9. - Gauhar Khan গওহর খান রয়েছেন ৯ নম্বরে 



10. - Rubina Dilaik সেক্সিয়েস্ট ওম্যান-এর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন টেলি অভিনেত্রী রুবিনা দিলাইকও 




Monday, January 1, 2018

Happy New Year 2018


I pray for your and your family's happiness and well-being. May you all have an amazing year ahead.

12 Months joy, 52 Weeks fun
365 days laughter, 8760 hours peace
525600 Minutes happiness, 31536000 seconds enthusiasm
Time to let go of the past and to look forward to a new year ahead
Hope this year will bring happiness
Happy New Year 2018


12 महीनों की खुशी, 52 सप्ताह मज़ा
365 दिन हँसी, 8760 घंटे शांति
525600 मिनट खुशी, 31536000 सेकंड उत्साह
अतीत के चलते रहने का और आगे के लिए एक नए साल की प्रतीक्षा करने का समय
आशा है कि इस साल खुशी लाएगा
हैप्पी न्यू ईयर 2018


12 মাস আনন্দ, 52 সপ্তাহ মজা
365 দিন হাসি, 8760 ঘন্টা শান্তি
5২5,600 মিনিট সুখ, 31536000 সেকেন্ড উৎসাহ
অতীতের দিকে এগিয়ে  যেতে, একটি নতুন বছরের জন্য অপেক্ষা করার সময়
এই বছর সুখে কাটুক আশা করি
শুভ নববর্ষ 2018

ফেসবুকের কিছু সমস্যা ও তার সমাধান

আজকাল আমরা অনেকেই নানান কাজে বেশ অনেকটা সময়েই থাকি ফেসবুকের সঙ্গে। ব্রাউজ করার সঙ্গে সঙ্গে ছবি বা ভিডিও আপলোডের বিষয়টিও চলতে থাকে। কিন্...